দুটি কবিতা
রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়

অন্তঃস্থ

সুর শাণিয়েছিলাম… ঝংকারে বেজেও উঠেছিলে যথাযথ

আদৌ কি ভেবেছিলাম নৈঃশব্দ শেষ কথা বলে!

অতদূর পর্যন্ত পৌঁছনোর আগেই…

এখন স্তব্ধতার উচ্চারণ থেকে খুঁটে খুঁটে খেতে থাকি প্রস্তুতি

নিরাময়ের আলোয় আবছায়া সেজে ওঠার ডাক দিলে

সদলবলে এসে দেখি, ছোট পাহাড়ের ওপর মেঘ এসে দাঁড়িয়েছে

কোনরকম প্রত্যাশা ছাড়াই… নিরাসক্তির নদীও বইতে থাকে

ছবির ভেতর থেকে ঢাল বেয়ে নেমে আসছে জমাট কুয়াশা

কেউ দেখছে না-

দৃশ্যের অন্তর থেকে ফুটে উঠছে অদৃশ্য কোরক…

পাহারা

ঐশী ডোরে সাযুজ্যতার সাঁকো

রাখো… তোমার এক জনমই বাজি

সাজি ভরে বিচ্যূতিদের তোড়া

ফুল্লরা… তুই নতুন গল্প বল…

স্থল হারানোর দামাল খরস্রোতা

লগ্নতা আর লীন হওয়ারই মোহ

দ্রোহ আমার রক্তে দিয়ে দোলা

খোলা আকাশ দহন সম্বল

অলংকরণঃ কল্লোল রায়

2 Comments

  • PRADIP MUKHOPADHYAY

    Reply June 27, 2021 |

    আহা, দ্বিতীয়টির মধ্যে নতুন এক গীতিছন্দ রে…
    দারুণ!

  • Argha Roy Chowdhury

    Reply June 27, 2021 |

    আহা, অসাধারণ লিখেছেন। মুগ্ধতা রেখে গেলাম।

Leave a Reply to PRADIP MUKHOPADHYAY Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

loading...