বিচ্ছিন্ন পত্র
অলোক গোস্বামী

জীবনে এমন একটা সময় থাকেই যখন পৃথিবীতে আশ্চর্য বস্তুর সংখ্যা স্রেফ সাতে সীমাবদ্ধ থাকে না। বিশেষ করে আমরা যারা প্রি-ইন্টারনেট , প্রি-টেলিভিশন যুগে জন্মেছি তাদের কাছে বিস্ময়ের সংখ্যা সাত তো নয়ই এমন কী সতেরও নয়, তারচে অনেক অনেকগুণ বেশি ছিল।  যা কিছু দেখতাম সেসবের অধিকাংশের গায়েই লেগে থাকত বিস্ময়ের রেণু। সেগুলোর কার্যকারিতা নয়, কার্যপদ্ধতিই ছিল তাবৎ বিস্ময়ের কারণ। কীভাবে ঘটে, বুঝতে চাইতাম কিন্তু বুঝিয়ে দেয়ার মতো মানুষের স্বল্পতার কারণে শিশুচোখের বিস্ফোরণ ছিল অবধারিত।

 যে দুটো বিস্ময়ের কথা এখনও মনে পড়ে তার প্রথমটা ছিল রেডিও। নব ঘুরালেই গান, কথা, কীভাবে ভেসে আসে! ঘোষক কিংবা ঘোষিকা যতই কিনা গলা কাঁপিয়ে বলুক,  “আকাশবাণী” তবু কাণ্ডটার সঙ্গে ঈশ্বরকে যুক্ত করতাম না। নিশ্চিত ছিলাম, কারিকুরিটা মানুষেরই। কিন্তু কীভাবে?  ভেতরে কি তবে কেউ ঘাপটি মেরে বসে আছে? কখনও পুরুষ কন্ঠ কখনও নারী কন্ঠ কীভাবে শোনা যায়! তাদের কাউকে তো ঢুকতে বেরোতে দেখা যায় না! তাহলে খাঁচার ভিতর অচিন পাখি ক্যামনে আসে যায়!

 দ্বিতীয় বিস্ময় ছিল ডাকবাক্স। লাল রঙের ড্রামের ভেতরে চিঠি ফেললে যথাস্থানে পৌঁছে যায়। এবং শুধু পৌঁছয়ই না  কিছুদিন পর প্রত্যুত্তরও আসে, “ স্নেহভাজনেষু, তোমার চিঠি যথাসময়ে পাইয়াছি। তোমরা ভালো আছ জানিয়া সুখি হইলাম। আমরাও একরূপ আছি। তোমার কাকিমার অর্শের বেদনাটা এদানি বাড়িয়াছে।  সকল প্রকাল চিকিৎসা সত্বেও উপশম না হওয়ায় ডাকযোগে স্বপ্নাদ্য মাদুলি আনাইয়াছি। দেখা যাক, ঈশ্বরের কৃপা হয় কিনা!”

সে নাহয় বুঝিলাম কিন্তু চিঠি পৌঁছাইল কীরূপে! বলাবাহুল্য এক্ষেত্রেও ভগবানের কেরামতির কথা ভাবিনি। ভাবতাম, নিশ্চয়ই ডাকবাক্সের নীচে কোনো সুরঙ্গ আছে। চিঠি ফেলা মাত্র সুরঙ্গপথে সেই চিঠি যথাস্থানে পৌঁছে যায়। ফলে চিঠি ফেলার জায়গা দিয়ে উঁকিঝুঁকি তো বটেই এমন কী হাত ঢুকিয়েও রহস্যটা উদ্ধার করার চেষ্টা করেছি। সম্ভব হয়নি। ছোটহাত শূন্য থেকেই ফিরে এসেছে। তাতে অবশ্য হতাশ না হয়ে খুশিই হয়েছিলাম কারণ হাতের মাপে  সুরঙ্গের হদিশ বোঝা কী অতই সোজা!

 কিন্তু সে সুখ বেশিদিন সইলো না কপালে। বছর বছর ফেল করা সুব্রতর ঢ্যাঙা  হাত যেদিন বাক্সের ভেতরে অনায়াসে ঢুকে গিয়ে  একগাদা চিঠি বের করে এনেছিল সেদিনই সুরঙ্গ রহস্যের ইতি।

 এরপর সুকান্তর ‘রানার’ কবিতা পড়লাম, ইতিহাস বই থেকে জানলাম শের শাহ’র ঘোড়ার ডাক প্রচলন করার কথা, দেখলাম চিঠিপত্র আনা-নেয়া করার গাড়ি, ব্যস, আর কী চাই!

 সে নাহয় চিঠির যাতায়াত সংক্রান্ত রহস্যভেদ করা গেল কিন্তু ‘চিঠি’, এর রহস্য যে অসীম! যতই বয়স বাড়তে থাকল ততই সেই অসীমে ঘুরপাক খাওয়াও বেড়ে গেল যেন। মাত্র দুটো শব্দ অথচ তার প্রভাব এবং প্রতিক্রিয়া কতটা সুদূরপ্রসারী ছিল, সেটা ভেবে আজও কুল পাই না। শুধু আমার কাছে নয়, আরও অনেকের কাছে। বাড়িতে পিওনের উপস্থিতি ছিল অতিথি আগমনের মতো।  সব হাতে ঘোরার পরও সেই চিঠির গুরুত্ব সহজে হ্রাস পেত না। তুলে রাখা হত যথাযোগ্য স্থানে। অন্তত যতদিন না সেই চিঠির উত্তর লেখা হয়। কিংবা তার পরেও।

 কিন্তু এ তো গেল কেজো চিঠির কথা। চিঠির গুরুত্ব যদি শুভাশুভ খবরের লেনদেনেই সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে চিঠিকে  বিষয় করে অসংখ্য গান, কবিতা, গল্প লেখা হত না। সেটা হয়েছে কারণ ‘পত্র’ শব্দটা উচ্চারিত হলেই ‘প্রেম’ শব্দটা উড়ে এসে জুড়ে বসে যেন। প্রেম করেছে অথচ পরস্পরকে চিঠি লেখেনি কখনও এমন প্রেমিক-প্রেমিকা ভূ-ভারতে নেই। থাকলে অবশ্যই গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম খুঁজে পাওয়া যেত। এমন কী একই বাড়িতে পাশাপাশি ভাড়া থাকলেও চিঠি লেখায় যে খামতি থাকত না  তার প্রধান সাক্ষী এই আমি। জয়িদির কিংবা সুনীলদার কত চিঠি যে আমি পৌঁছে দিয়েছি তার ইয়ত্বা নেই। অথচ দুজনের প্রেমের কথা পাড়ার লোকরা তো বটেই, এমন কী দুটো পরিবারের মানুষও জানতো। তবু। তবুও। কেন? সেটা বুঝতে আজও হিমসিম খাই। হিমসিম খাই এটা বুঝতেও যে, অসংখ্য চিঠি লেখার পুণ্যে জয়িদি এবং সুনীলদা পরবর্তীতে পোস্ট অফিসে চাকরি পেলেও কোন পাপে আমি পিওনের পদ থেকে বঞ্চিত হ’লাম!

 কিন্তু  চিঠি পৌঁছনোর বিষয়টা গৌণ, মুখ্য বিষয় তো চিঠি লেখা! যাদের বাক্যবিন্যাসে অক্ষমতা থাকত কিংবা হস্তাক্ষর হত দুর্বোধ্য  কিংবা বানান জ্ঞান ছিল হাস্যকর  সেই সব প্রেমিক-প্রমিকাদের কী গতি হত! ওসব তুচ্ছ বাধায় প্রেম তো আটকে থাকতে পারে না! যৌবন জল-তরঙ্গ কে রুধিবে? সুতরাং প্রেমপত্র আদান প্রদানের জন্য যেমন হরকরা জোটাতে হত তেমনই জোটাতে হত প্রেমপত্রের লেখক। প্রেম দুনিয়ায় হরকরাদের মতো তাদের সমাদরও ছিল রাজকীয়। এ এক অদ্ভুত নেশা! নিজের জীবনে প্রেম না জোটার ক্ষোভ এরা উশুল করে নিত অপরের হয়ে সুন্দর হস্তাক্ষরে হৃদয় উজার করা ভাষা দিয়ে। শুধু  এদের ক্যারিশমায় যে কত লক্ষ হৃদয় ধরাশায়ী হয়েছে, কে তার খবর রাখে!  হায়, কেন যে প্রেমপত্র লেখকদের নিয়ে আজও গবেষণা হয়নি কে জানে!  সিভিক ভলান্টিয়ারের মতো সিভিক লাভ লেটার রাইটারের একটা পোস্ট তৈরি করলে হয়তো এসব অভাগা লেখকের জীবনেও এক-আধটা প্রেম ঠিকই জুটে যেত। প্রেম তো সিকিউরিটিরও আশা রাখে!

 কিন্তু যাদের হাতের নাগালে এমন পেশাদার প্রেমপত্র লিখিয়ে থাকত না কিংবা নিছক লোক জানাজানির ভয়ে যাদের পক্ষে কারো সাহায্যপ্রার্থী হওয়া সম্ভব হত না অথচ নিজেদেরও মুরোদ ছিল না  চাঁদ-তারা-ফুল-পাখি নিয়ে কাব্যি করার, তাদের কী গতি হত?

 উত্তর খুবই সহজ। পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন না পড়লে যে পন্থা নিতে হয়, সেটাই। সোজা ভাষায় যাকে বলে টুকলি। সেই টুকলির অদ্বিতীয় জোগানদার ছিল– রাজেন্দ্র লাইব্রেরি, ক্যানিং স্ট্রিট( দ্বিতল)। এদের প্রকাশিত বৃহৎ প্রেমপত্র কিংবা এক হাজার প্রেমপত্র সংকলন যে কত ম্লান কলমে ভাষা জুগিয়েছে তার ইয়ত্বা নেই।

 এ প্রসঙ্গে একটা  ঘটনা বলবো।

ঘটনাটা মনিদার। আমাদের পাড়ায় মুদির দোকান ছিল মনি পালের। প্রায় একক প্রচেষ্টায় মুলি বাঁশ এবং টিনের ছাউনির ছোট্ট দোকানটাকে শুধু সিমেন্টে বাঁধাই করা নয়, তিন ভাই, দুই বোন সহ বিধবা মায়ের সংসারের হালও ফিরিয়েছিল মনিদা। কৃচ্ছসাধনে বিশ্বাসী মানুষটা শীতের দু-তিনটে মাস ছাড়া সারা বছর উদোম গা এবং খাকি হাফপ্যান্টেই অভ্যস্ত ছিল। শীতবস্ত্র বলতে একটা হাফ হাতা গেঞ্জি।

কিন্তু  মনিদা গান্ধির পথে চললেও ভাইবোনেরা ছিলেন জওহরলাল এবং বিজয়লক্ষ্মী পন্ডিতের অনুসারী। সেটা এমন কিছু দোষেরও নয়, কারণ অভাব যখন ঘুচেছে তখন অহেতুক কৃপণ বদনাম কুড়োতে কারই বা ভালো লাগে! ক্বচিৎ প্রতিবাদ করলেও মেনেই নিয়েছিল মনিদা কিন্তু গোল বাঁধল ভাই-বোনগুলো টপাটপ বিয়ে করে ফেলার পর। ততদিনে মনিদার যৌবন হাই তুলতে শুরু করে দিয়েছে। গোটা কয়েক হাইয়ের পরই বিদায় নিয়ে নেবে। সেই অমোঘ সত্য মনিদা একদিন আচমকাই টের পেল। কিন্তু উপায় কী! একদা মনিদার আইবুড়ো দশা ঘোচাতে যে মুরুব্বিরা স্বতোপ্রণোদিত হয়ে এগিয়ে এসেছিলেন তারা মনিদার চোপার কাছে দাঁড়াতে পারেননি। এখন তাদের কী দায় পড়েছে ফের গালাগালি শোনার!

 যদিও তখন গালাগালি নয়, প্রস্তাবদাতার সঙ্গে গলাগলি করতে উৎসুক ছিল মনিদা কিন্তু সে কথা তারা জানবেন কীভাবে?

 তারা না জানলেও যারা জানার ঠিকই জেনে গিয়েছিল। এবং সেই সবজান্তারা ছিল মনিদার হাঁটুর বয়সী। সম্ভবত নিরুপায় হয়েই তাদের কাছে সমস্যাটা জানিয়েছিল মনিদা কারণ আগের মুরুব্বিরা ততদিনে রোগেভোগে প্রায় পঙ্গু। তাদের দেখা পাওয়া ভার। সমবয়সীরাও যে যার ভরভরন্ত সংসার নিয়ে ব্যস্ত। সাংসারিক প্রয়োজনে তারা মনিদার দোকানে আসে বটে কিন্তু দু-দন্ড দাঁড়িয়ে সুখ দুঃখের কথা শোনার মতো সময় কোথায় তাদের?

 বলাবাহুল্য সাহায্য চাওয়া এবং পাওয়ার ব্যাপারটা গোপনেই ঘটেছিল। কেউ আঁচ করতে পারেনি। হযত কোনদিনই পারতো না যদি না মনিদা গন্ডগোল বাঁধিয়ে ফেলত! পাড়ায় তুমুল গন্ডগোল, বেলিদির মাকে প্রেমপত্র লিখেছে মনিদা।  চিঠিটা পাওয়া গিয়েছে মুড়ি ভর্তি ঠোঙার একদম নীচে। কৌটোয় মুড়ি ঢালতে গিয়ে মাসিমা চিঠিটা পেয়েছেন।

 প্রথমে কেউ বিশ্বাস করতে চায়নি। মনিদার যতই বয়স হোক তবুও তো বেলিদির মায়ের থেকে অনেকটাই ছোট! হোতে পারে বেলিদির বাবা মোদো মাতাল মানুষ কিন্তু মনিদাকেও লম্পট ভাবাটা মুসকিল! চিঠিটা বেলিদিকে লিখলেও না হয় কথা ছিল। হতে পারে বেলিদি অনেকটাই ছোট কিন্তু কচি খুকি তো নয়। ওই বয়সের অনেক মেয়ে গুছিয়ে সংসার করছে। চিঠিটাতে যদিও প্রাপকের নাম লেখা নেই কিন্তু ছত্রেছত্রে রয়েছে বিবাহিত মহিলার প্রতি একজন পুরুষের কামনা বাসনার কথা। রয়েছে মদন আগুনে জ্বলে ছারখার হওয়ার করুণ বিবরণ। কুন্ডু বাড়িতে বিবাহিত তো একজনই, বেলিদির মা।

 অবধারিত ভাবেই বিচার বসলো। মনিদা একবাক্যে স্বীকার করল কাজটা তারই তবে চিঠিটা বেলির মায়ের উদ্দেশ্যে নয়, বেলির উদ্দেশ্যে লেখা।

তাহলে চিঠির বয়ান এরকম কেন?

উত্তর না দিয়ে মাথা নীচু করে বসেছিল মনিদা।

 শাস্তি হয়েছিল মনিদার কিন্তু সেটা ছিল শাপে বর। বিচারকদের রায়ে বেলিদিকে বিয়ে করতে হয়েছিল মনিদাকে।

শোনা যায়, সেদিন বিচারসভায় না দেয়া প্রশ্নটার উত্তর মনিদা ফুলশয্যার রাতে বেলিদিকে দিয়েছিল।

–বই থেকে টুকতে গিয়ে তাড়াহুড়ায় খ্যাল করিনি।

–কোন বই?

স্ত্রীর প্রশ্নের ঝাঁঝে বইটা বের করে দিয়েছিল মনিদা। একশো প্রেমপত্র সংকলন।

–কোথায় পেলে এই বই?

বলবে না ভেবেও মন্ত্রগুপ্তির শপথ ভাঙতে বাধ্য হয়েছিল মনিদা। তবে নামগুলো জানানোর আগে হাত জোড় করে বউয়ের কাছে মিনতি করেছিল, ওদের কিছু বোলো না, প্লিজ।

বলেনি বেলিদি। তবে বইটাও ফেরত দেয়নি মনিদাকে। কে জানে কেন? সব কান্ডের তো সাক্ষী থাকে না। তখন বাতাসের পাখনা ছিল  শক্তপোক্ত তাই অনেক কথাই বাতাসের পিঠে ভর করে উড়ে যেত দূর-দূরান্তরে। সেসব কথার সত্যতা যাচাই করতে কতদূর ছুটবে মানুষ! তাই সত্যাসত্য যাচাই করা যেত না। সে কারণেই জানা যায়নি মনিদা সত্যি সত্যিই সে রাতে বেলিদির কাছে আপশোশ করে বলেছিল কিনা, জানো বেলু, বইটা পুরা জালি। কভারে লেখা আছে একশোটা প্রেমপত্রের নমুনা অথচ রয়েছে সাতানব্বইটা! ভাবো একবার কেসটা!

বেলিদি ওই গুরুতর সমস্যাটা নিয়ে আদৌ ভেবেছিল কিনা সেই খবর উড়ে আসেনি।  

5 Comments

  • Amar Mitra

    Reply August 20, 2021 |

    চমৎকার লেখা। প্রাণ ভরে পড়া।

    • অলোক গোস্বামী

      Reply August 20, 2021 |

      ধন্যবাদ।

    • রেখা রায়

      Reply August 20, 2021 |

      সাহিত‍্যিক অলোক গোস্বামীর লেখা “বিচ্ছিন্ন পত্র” পড়লাম। এটি একেবারে অন‍্য রকম লেখা ওঁর। সহজ সরল সাবলীল। আড্ডায় বসে যেন ছোটবেলার গল্প বলছেন। ভারি ভালো লাগল। এরকম ছোটবেলা আমাদেরও ছিল। কিন্তু পরিণত বয়সে এভাবে তাকে বলার মত ভাষা আমাদের নেই। এই ধারাটিতেও লেখকের মুনশিয়ানা অনবদ‍্য।
      ওঁর গদ‍্যের ভাষায় মুগ্ধ পাঠককুল।
      বম্বে ডাক-এর সমৃদ্ধি কামনা করছি।

  • পুরুষোত্তম সিংহ

    Reply August 21, 2021 |

    অলোক সুলভ। বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করতে জানে এই লেখক। হারানো সময়, প্রেমপত্রের আড়ালে বহু বিষয় প্রবেশ করে যায়।

  • নীলিম গঙ্গোপাধ্যায়

    Reply August 21, 2021 |

    বেশ তো ! আমাদের ছোটবেলা, চিঠিবেলাকে উস্কে দেওয়া লেখা। গল্প হাসিয়ে টেনে আনে হাসি কথা কান্না কথা। যা ছিল গুরুতর, এখন সে সব যেন মজ বুড়োর গল্প। অলোকের রিয়েল লাইফ সেঁচে হিউমার বের করে আনার ক্ষমতা বরাবরই ভালো। অনেক সিরিয়াস বিষয়ের উত্থাপনও সে এই ভঙ্গীতে করে ফেলে।

Leave a Reply to Amar Mitra Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

loading...