দুটি কবিতা
সৌভিক গুহ সরকার

সন্ধ্যেবেলা ও লন্ঠনের কবিতা
শরীরের ভেতর থেকে বিষম বকুনি খেয়ে চুপ করে থাকি। তুই যা; তুই আর কোনওদিন আসবি না এই জানলায়, ও আমার বিপজ্জনক পাখি! ১।
পাতায় পাতায় সন্ধ্যেবেলার ঘ্রাণ; পুরনো কোনও করুণ বাংলা গান― নরম শরীরের ধারে, সর্বস্ব গেল তোর জটিল অন্ধকারে― লিখবি না ছেলে, চলে গেল সেই মেয়ে কত আলো জ্বেলে? ২।
কথাগুলো সরিয়ে রেখেছি, তুমি বললে তোমাকেই দেব। এক লন্ঠন আলো সরিয়ে রেখেছি, তুমি চাইলে তোমাকেই দেব। ৩।
আষাঢ়গুচ্ছ
যতদূর পাঠিয়েছিলাম, ততদূর গেল না মেঘ। বৃষ্টির জন্ম পর্বতশিখরদেশে। আমার হাতে এখন শুধু ভাঙা আষাঢ়গুচ্ছ। তোমার শরীর চিঠি-না-আসা ডাকবাক্সের মতো চুপ। করুণ ফুল ছড়িয়ে আছে আশেপাশে। ১।
ও বিকেলবেলার গন্ধ, আমরা কেবলই শব্দ; একাকী রয়ে গেলাম বাক্যের মহাশূন্যে, নিষ্ঠুর কবি আমাদের সমাসে বদ্ধ করলেন না। ২।
বৃষ্টির শব্দ কী বলে? সে তোমাকে যা বলেছে, আমাকে তা বলছে না। একটা ছাতা কাউকে আশ্রয় দেবে বলে হাওয়ায় উড়ছে। ছাতার ডানা ঝাপটানোর শব্দে ভরে আছে পৃথিবীর কান। ৩।
অলংকরণঃ কল্লোল রায়
Ishita Bhaduri
June 27, 2021 |আষাঢ়গুচ্ছ বেশি ভালো লাগল
Bibhas Saha
July 2, 2021 |খুব ভালো লাগলো।
Sourav Mahanty
July 27, 2021 |ভালো লাগলো।
Subit Banerjee
July 27, 2021 |সন্ধেবেলা ও লন্ঠনের কবিতা মনে হচ্ছে কোন ফরাসী কবি লিখেছেন পালকের কলম দিয়ে।
হিমাদ্রী শেখর চক্রবর্ত্তী
July 27, 2021 |সন্ধেবেলা ও লণ্ঠনের কবিতায় এক স্নিগ্ধ অভিমান ছুঁয়েছিল। তারপরেই আষাঢ়গুচ্ছ কবিতা টি সব তছনছ করে দিল। কেমন এক অব্যক্ত শূন্যতা ছেয়ে গেল।
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রেখে গেলাম সৌভিক দা💖💖🙏
Sanghamitra Halder
July 27, 2021 |‘সন্ধেবেলা ও লন্ঠনের কবিতা’ বেশি ভালো লাগল।