হারাধন চৌধুরীর কবিতা
প্রবেশ পথের খুব কাছে
প্রবেশ পথের খুব কাছে পড়ে আছে মৃত্যু একাকী
আমারই অসমর্থনীয় একটি প্রত্যাশার মতনমদ্যপান কিংবা হঠাৎ-পরিচয়-যুবতিগমন…
বেড়ার ওপারে কতগুলি কাকের শব কাকে খায়
অথবা, ময়ূরে রূপান্তরের কাহিনিসমগ্র কী দরে বিকোয়?
খানকয়েক প্রশ্ন বসে থাকে চাবুক হাতে, সকাল থেকে…
কৌতূহলের পাহাড় নির্মিতির পাদদেশে খাঁটি খদ্দের কই!
বরফের বাগানে
একটি ফুল, কখন কে জানে, একটি পাখিকে মন দিয়ে ফেলেছিল
দূরত্বের দিঘিতে ঘেরি জাল কাউকে তো ফেলতেই হয়
একদিন পাখি উড়ে গেল পুব দেশে, তার হারিয়ে ফেলা পানসির খোঁজে …
দেয়া তো হয়েছিল, দেয়ানেয়া হয়েছিল কি?
ভাবতে ভাবতে শোনা কথা মনে পড়ে যায় ফুলের—
রক্ত অবশেষে সাইকোপ্যাথ প্রেমের উষ্ণ বুকে।
আহুতির নাভি ফুঁড়ে শামিয়ানা ইশারা আঁকে: প্রার্থনাসভা শেষে
কাকভোরে একটি পৃথিবী নির্লিপ্ত বসে থাকে বরফের বাগানে
গমনাগমনের সূত্র
আমি তো আমার মতোই যাচ্ছি
কেউ কেউ খেয়াল করছে নিশ্চয়, —আমি যাচ্ছি…
গন্তব্য ফাঁস হয়ে যাওয়া ঠিক হবে না।
ফাঁস হয়ে গেলে যাত্রাপথ নাকি বারমুডা ত্রিভুজে হারিয়ে যায়…
যখন ভাবছি এই স্বয়ংক্রিয় আপ্তবাক্যটি
ভাবছি, আমার গন্তব্য আমিও কি জানি?
মন্ত্রগুপ্তিভঙ্গের দায়ে নিজের গমনাগমনের সূত্র কি
নিজের কাছেই গুপ্ত রেখেছি!