ন হন্যতে
অরুন্ধতী সাহা গুপ্ত


মেরুদণ্ডের কশেরুকা শব্দ করে ফেটে গেলো।আবাহন করেছে আদিম রিপুর যাজক চতুর্জন।
পূর্ব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ।
চার দিক থেকে চতুর্মুখী টানে বিদীর্ণ অস্থি মজ্জা।
আমার উনিশটি ঋতু রক্তবর্ণ। জংঘাবাহিত শোণিত। লোহূলেহান। কৌমার্য্য লুণ্ঠিত হবার ক্রন্দনের সাক্ষী কেহ নয়। কেবলই ধূসর মাটি ভিজে থাকে নোনাজল মেখে।
জিহ্বা মুক্ত হলো। গোপন চিতা হতে ক্রমশঃ দেশময় আগুন হলাম। লেলিহান বহ্নি। সর্বপ্রথম ছিন্নবিচ্ছিন্ন হতে হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন আমি।
মেয়ে থেকে লয়। করালী। দগ্ধ নাভিদেশে ধারণ করি ছিন্ন খড়গ। চণ্ডালী। হাথরাসের মকাই বাজরা ক্ষেতে তীক্ষ্ম পাতার ঘষার শব্দ আমার শেষ শ্বাসবায়ুর টানে। যুদ্ধ শুরুর বাঁশি বেজেছে ঐ। প্রলয় সমাগত হোক।

Write a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

loading...